বৈষম্যহীন
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি সরকারি চাকরিজীবীদের
সরকারি
১১-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। আগামী
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন
তারা।
বাড়িভাড়া
ভাতা: ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৮০ শতাংশ, অন্যান্য সিটি করপোরেশনে ৭০
শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৬০ শতাংশ নির্ধারণ।
চিকিৎসা ভাতা: মাসে ৬ হাজার টাকা।
শিক্ষা ভাতা: সন্তান প্রতি ৩ হাজার
টাকা।
যাতায়াত ভাতা: ঢাকায় ৩ হাজার এবং
অন্যান্য এলাকায় ২ হাজার টাকা।
ইউটিলিটি ভাতা: মাসে ২ হাজার টাকা।
টিফিন ভাতা: দৈনিক ১০০ টাকা (মাসে
২,২০০ টাকা)।
বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ৫০ শতাংশ।
ঝুঁকি ভাতা: মাসে ২ হাজার টাকা।
পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলে কর্মরতদের
জন্য: অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ ভাতা।
এ
ছাড়া পেনশন সুবিধা ৯০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ এবং আনুতোষিকের হার ২৩০ টাকা থেকে
বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো
নির্ধারণে ‘জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫’ গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব “জাকির আহমেদ খান” এই
কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা
দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ