ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর)
দুপুরে ছাগলনাইয়ার কলেজ রোড থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে মীর শপিং মার্কেটের সামনে
পথসভায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর আহম্মদ মজুমদার এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক
কপিল উদ্দিন সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের রাজনৈতিক সমন্বয়ক ও ঢাকা দক্ষিণ
বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু।
সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয়
গ্রাম বিষয়ক সহসম্পাদক বেলাল আহমদ বেলাল, কেন্দ্রীয় নেতা জালাল আহমদ মজুমদার, জেলা
বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, “বেগম
জিয়াকে ফেনী-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাতে হবে। এখন সময় ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে,
বেগম খালেদা জিয়াকে প্রার্থী ঘোষণার পর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় আনন্দ
মিছিল, ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিভিন্ন এলাকা। সন্ধ্যায়ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা
“ফেনীর মেয়ে খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা” শ্লোগানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
বেলাল আহমদ বলেন, “খালেদা
জিয়াকে প্রার্থী করায় আমরা হাইকমান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞ। ইনশাল্লাহ, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ
করে এবারও বেগম জিয়াকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করব।”
পরশুরাম উপজেলা বিএনপির
সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, “দীর্ঘদিনের বিভাজন এখন অতীত। খালেদা জিয়া প্রার্থী
হওয়ায় আমরা সবাই এক কাতারে।”
ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির
যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসুল গোলাপ বলেন, “রাষ্ট্র ও ফেনীর উন্নয়নে খালেদা জিয়াকে আবারও
সংসদে দেখতে চাই।”
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব
আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, “দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত ও সংগ্রামী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তাকে প্রার্থী করায় ফেনীর জনগণ উচ্ছ্বসিত এবং আমরা আশাবাদী, এবারও তিনি বিপুল ভোটে
বিজয়ী হবেন।”
উল্লেখ্য, ফেনীর ফুলগাজী
উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ির কৃতি সন্তান বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১
ও ২০০৮ সালে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেন।

0 মন্তব্যসমূহ