ছিবি: সংগৃহীত
সোমবার সকাল প্রায় ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে পৌঁছান জুলাইযোদ্ধা
রাকিব হাওলাদার, নিয়ামুলসহ আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা
মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা
হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলার প্রধান দুই আসামি—ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল—বর্তমানে পলাতক। তবে সাবেক আইজিপি
মামুন গ্রেফতারের পর গত এক বছর ধরে কারাগারে আছেন। তিনি ট্রাইব্যুনালে রাজসাক্ষী হিসেবে
হাজির হয়ে দুই পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রসিকিউশন জানায়—মামুনের
শাস্তি নির্ধারণের বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, আর হাসিনা ও কামালের
সর্বোচ্চ দণ্ড দাবি করা হয়েছে।
সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগার থেকে প্রিজন
ভ্যানে করে মামুনকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
এদিকে রায়কে ঘিরে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নেওয়া হয়েছে
বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবির পাশাপাশি মাঠে রয়েছে
সেনাবাহিনীও। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে রোববার
সন্ধ্যার পর থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনের দিকে যানচলাচল বন্ধ রাখা হয় এবং সাধারণ
মানুষের চলাচলেও আংশিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

0 মন্তব্যসমূহ