HEADER ADD

পুজো মানেই আনন্দ, নাগরদোলার টান এখনও রয়ে গেছে অভীনেত্রী সন্দীপ্তা সেনের

 

পুজো মানেই আনন্দ, নাগরদোলার টান এখনও রয়ে গেছে অভীনেত্রী সন্দীপ্তা সেনের

 


দুর্গাপুজো বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব। কারও কাছে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা, কারও কাছে নতুন জামা-কাপড়, আবার কারও কাছে ঢাকের তালে মাতোয়ারা হওয়া। অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেনের কাছে পুজো মানেই পরিবার, বন্ধু আর একঝাঁক শৈশব স্মৃতি।

কলকাতায় বেড়ে ওঠা সন্দীপ্তার পুজোর মানেই ছিল নাগরদোলা আর মেলার রাইড। ছোটবেলায় ভবানীপুরের হরিশ পার্ক ছিল তাঁর প্রিয় জায়গা। উঁচু নাগরদোলা, ময়ূরপঙ্খী নৌকা কিংবা নানা রকম রাইডের উত্তেজনা তাঁকে ভীষণ টানত। এতটাই যে, বার বার রাইডে চড়তে চড়তে শেষে ফ্রি-তে বাড়তি সময় উপভোগ করার সুযোগও পেতেন তিনি। সেই নির্ভেজাল আনন্দ আজও ভীষণ মিস করেন অভিনেত্রী।

এখনও সুযোগ পেলেই সেই মজাটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন তিনি। গত বছর পার্ক সার্কাসে গিয়ে ‘জায়ান্ট হুইল আর ‘ডিস্কো ডান্স-এ চড়েছিলেন। তবে শুটিংয়ের ব্যস্ততার কারণে এ বছর সময় হয়নি। হিন্দি সিরিজ ‘সম্পূর্ণা’ এবং ওয়েব সিরিজ ‘নষ্টনীড়’-এর কাজেই বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে তাঁকে। তবুও কলকাতার পুজো মিস করার প্রশ্নই ওঠে না।

এই বছর পঞ্চমী-ষষ্ঠীতে পরিবারের সঙ্গে মণ্ডপ পরিক্রমা করেছেন। আবাসনের পুজোতেও আড্ডা আর আনন্দে কেটেছে সময়। সপ্তমী কাটবে স্বামী আর পরিবারের সঙ্গে। বন্ধুদের সঙ্গেও জমিয়ে আড্ডার পরিকল্পনা রয়েছে।

পুজো মানেই নতুন পোশাকশৈশবে যত্ন করে গুনতেন কটা জামা হলো। এখন আর সে হিসেব রাখেন না। তবে নতুন জামার গন্ধ আজও তাঁকে টানে। মায়ের দেওয়া সালোয়ার-কামিজ কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের উপহার তাঁর কাছে এখনো বিশেষ আনন্দের।

 ভূরিভোজ ছাড়া তো দুর্গাপুজোই অসম্পূর্ণ। সন্দীপ্তা জানান, মায়ের হাতে রান্না করা মটন কারি তাঁর ভীষণ প্রিয়। তবে পুজোর সময় মাকে রান্নাঘরে যেতে দেন না। বরং পরিবারের সবার সঙ্গে প্রিয় রেস্তরাঁয় গিয়ে পেটপূজা করেন।

ছোটবেলায় যেমন অষ্টমীর পর বেড়াতে যাওয়া ছিল রীতি, এখনো মাঝেমধ্যে পুজোর লম্বা ছুটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন তিনি। যদিও এ বছর সে সুযোগ হয়নি।

ফুচকা খাওয়া এখনও পুজোর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তাঁর কাছে। তবে যদি পুরোনো কোনও স্মৃতি ফিরে পাওয়ার ইচ্ছার কথা বলতে হয়, তবে সন্দীপ্তা বলেন আবার যদি নাগরদোলা চড়ার সেই আনন্দ ফিরে পেতেন, বারবার রাইডে চড়ে শেষে ফ্রি-তে বাড়তি সময় পাওয়ার সেই উচ্ছ্বাস আবার উপভোগ করতে পারতেন, তবে সেটা হতো একেবারে অনাবিল আনন্দ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ